কথা নয়, বাস্তব অভিজ্ঞতাই সেরা প্রমাণ। ঢাকা থেকে বান্দরবান, ময়মনসিংহ থেকে রাজশাহী — সারা বাংলাদেশ জুড়ে হাজারো মানুষের জীবনে পরিবর্তন এনেছে Citynow।
যখন কেউ আমাদের কাছে জানতে চান Citynow আসলে কেমন — তখন আমরা বলি, সরাসরি ব্যবহারকারীদের কথাই শুনুন। বিজ্ঞাপনের চকচকে কথার চেয়ে একজন সত্যিকারের মানুষের নিজের মুখের গল্প অনেক বেশি বিশ্বাসযোগ্য। তাই এই কেস স্টাডি পেজে আমরা তুলে ধরেছি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন পেশার মানুষদের অভিজ্ঞতা — যাঁরা Citynow ব্যবহার করে তাঁদের জীবনে ছোট-বড় পরিবর্তন এনেছেন।
রাহেলা বেগমের বয়স ৩৪। বান্দরবান শহরে ছোট একটি হস্তশিল্পের দোকান চালান। স্বামী দিনমজুরি করেন, দুই ছেলেমেয়ে স্কুলে পড়ে। মাসের শেষ দিকে টাকাপয়সার টানাটানি লেগেই থাকে। একদিন প্রতিবেশীর কাছে প্রথম Citynow এর কথা শোনেন।
শুরুতে বিশ্বাস হচ্ছিল না। অনলাইনে টাকা দিলে ফেরত পাওয়া যাবে কি না — এই সংশয়টা স্বাভাবিক। তবুও সাহস করে মাত্র ৳২০০ দিয়ে প্রথম ডিপোজিট করলেন। সাথে সাথে স্বাগত বোনাস পেলেন। প্রথম সপ্তাহেই লটারিতে ছোট একটি পুরস্কার জিতলেন — ৳৮৫০। সেই টাকা তুলতে মাত্র ৪ মিনিট লাগল।
প্রথমবার যখন বাড়িতে বসে bKash-এ টাকাটা ঢুকল, সত্যি বলতে চোখ কপালে উঠে গেল। ভেবেছিলাম হয়তো কোনো ঝামেলা হবে, কিন্তু একদম সহজে হয়ে গেল।
— রাহেলা বেগম, বান্দরবানএরপর থেকে রাহেলা প্রতি সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে Citynow এর লটারিতে অংশ নেন। গত আট মাসে মোট পাঁচবার বিভিন্ন পরিমাণ জিতেছেন এবং সেই আয়ের একটি অংশ দিয়ে তাঁর হস্তশিল্পের দোকানে নতুন মালপত্র কিনেছেন।
তারেক মাহমুদ একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে অ্যাকাউন্টস বিভাগে কাজ করেন। বয়স ২৯, অবিবাহিত। সন্ধ্যার পর অফিস থেকে ফিরে সময় কাটানোর তেমন কোনো উপায় ছিল না। বন্ধুর পরামর্শে Citynow ডাউনলোড করলেন।
প্রথমে ডেমো মোডে কিছুদিন খেললেন, বুঝলেন সিস্টেমটা। তারপর সত্যিকারের অ্যাকাউন্ট খুললেন। লাইভ ক্যাসিনোর বাকারাট গেমটা তাঁর পছন্দ হয়ে গেল — ডিলারের সাথে সরাসরি কথা বলতে পারেন, এইচডি ভিডিওতে পুরো খেলাটা দেখা যায়। অ্যাকাউন্টিং মাথা থাকায় তিনি নিজেই একটি বাজেট ট্র্যাকার বানিয়েছেন স্প্রেডশিটে।
আমি প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট অ্যামাউন্ট বরাদ্দ রাখি বিনোদনের জন্য। Citynow তে সেই টাকার বিনিময়ে আমি যে আনন্দ পাই, সেটা সিনেমা হলে গিয়েও পেতাম না। আর মাঝে মাঝে জিতলে তো কথাই নেই।
— তারেক মাহমুদ, ময়মনসিংহতারেক এখন Citynow এর স্পোর্টস বিভাগেও সক্রিয়। ক্রিকেট ম্যাচের বিশ্লেষণ করতে তাঁর ভালো লাগে এবং সেই বিশ্লেষণের ভিত্তিতে বেটিং করেন। গত মৌসুমে বিপিএল চলাকালীন পাঁচটি ম্যাচের মধ্যে তিনটিতে সঠিক পূর্বাভাস দিতে পেরেছিলেন।
সাজিদের বয়স মাত্র ২৩। রংপুর সরকারি কলেজে অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়েন। পাশাপাশি ফ্রিল্যান্সিং করে কিছুটা আয় করেন। মাসে খরচ বেশি, আয় কম — এই বাস্তবতায় বাড়তি কিছু করার চেষ্টা থেকেই Citynow এর সাথে পরিচয়।
সাজিদ জানালেন, প্রথম যেটা তাঁকে টেনেছিল সেটা হলো রেড এনভেলপ বোনাস সিস্টেম। উৎসবের সময় Citynow বিশেষ বোনাস অফার করে — ঈদে, পয়লা বৈশাখে, বিভিন্ন জাতীয় দিনে। সেই বোনাসগুলো ব্যবহার করে কম বিনিয়োগে বেশি খেলতে পারেন তিনি।
ঈদের সময় Citynow থেকে যে রেড এনভেলপ বোনাস পেয়েছিলাম, সেটা দিয়েই একটা ছোট জ্যাকপট জিতলাম। পুরো টাকাটা Nagad-এ চলে এল মিনিট পাঁচেকের মধ্যে। ঈদটা একটু বেশি উৎসবময় হয়ে গেল।
— সাজিদ হোসেন, রংপুরসাজিদ এখন Citynow এর রেফারেল প্রোগ্রামেও সক্রিয়। তাঁর কলেজের কয়েকজন বন্ধুকে রেফার করেছেন এবং সেখান থেকেও বোনাস পাচ্ছেন। পুরো বিষয়টাকে তিনি একটি স্মার্ট পার্ট-টাইম কার্যক্রম হিসেবেই দেখেন — সতর্কতার সাথে, বাজেটের মধ্যে।
মিতা রানী রাজশাহীতে একটি কাপড়ের দোকান চালান। বয়স ৩৮, সংসারী মানুষ। ব্যবসার ফাঁকে ফাঁকে অবসর সময়ে বিনোদনের জায়গা খুঁজতেন। Citynow এর কথা জেনেছিলেন ফেসবুক গ্রুপের মাধ্যমে।
শুরু থেকেই মিতার অভিজ্ঞতা বেশ ভালো ছিল। ঈদের আগে ভিআইপি বোনাস অফারটি তাঁর চোখে পড়ে। নির্দিষ্ট পরিমাণ ডিপোজিটের বিনিময়ে বিশেষ ক্যাশব্যাক এবং ফ্রি গেম ক্রেডিট পাওয়া গেছিল। সেই সুযোগটি তিনি কাজে লাগান।
ব্যবসা করি, তাই টাকার হিসাব ভালোই বুঝি। Citynow তে যা বিনিয়োগ করেছি, তার বিনিময়ে আনন্দ ও কিছুটা আয় — দুটোই পেয়েছি। ঈদের উৎসব বোনাসগুলো সত্যিই আলাদা মাত্রা যোগ করে।
— মিতা রানী সরকার, রাজশাহীমিতা এখন Citynow এর ভিআইপি সদস্য। প্রতি মাসে নিয়মিত খেলেন এবং বিশেষ উৎসব অফারগুলোর জন্য আগে থেকেই অপেক্ষা করেন। তাঁর মতে, সঠিক বাজেট পরিকল্পনা থাকলে Citynow একটি উপভোগ্য অভিজ্ঞতা।
শুধু চারজনের গল্পই নয়, সারা বাংলাদেশের অসংখ্য ব্যবহারকারী প্রতিদিন Citynow সম্পর্কে তাঁদের অনুভূতি শেয়ার করেন। নিচে কিছু নির্বাচিত মতামত তুলে ধরা হলো।
এই কেস স্টাডিগুলো পড়লে একটা প্রশ্ন স্বাভাবিকভাবেই মাথায় আসে — কেন Citynow এ মানুষের অভিজ্ঞতা এত ভালো? কারণটা এক লাইনে বলা সম্ভব: আমরা প্ল্যাটফর্ম বানাইনি শুধু ব্যবসার জন্য, বানিয়েছি বাংলাদেশের মানুষের জন্য।
প্ল্যাটফর্ম তৈরির আগে বাংলাদেশের ২০টিরও বেশি জেলায় সরাসরি মানুষের সাথে কথা বলে তাঁদের চাহিদা বোঝা হয়েছে।
বাংলাদেশে ৯০% ইন্টারনেট ব্যবহারকারী মোবাইলে ব্রাউজ করেন — তাই Citynow এর পুরো ডিজাইনই মোবাইলকে কেন্দ্র করে গড়া।
শুধু ইন্টারফেস নয়, সাপোর্ট চ্যাট, হেল্প আর্টিকেল এবং নোটিফিকেশন — সবকিছুই বাংলায়।
bKash, Nagad, রকেট — এই মোবাইল ব্যাংকিং সেবাগুলো Citynow এর মূল পেমেন্ট চ্যানেল হিসেবে গভীরভাবে ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে।
Citynow এর সাপোর্ট টিম বাংলাদেশ থেকে পরিচালিত। তাঁরা স্থানীয় সমস্যা ও সংস্কৃতি বোঝেন।
প্রতিটি ব্যবহারকারীকে বাজেট সীমা নির্ধারণের সুবিধা দেওয়া হয় এবং দায়িত্বশীল খেলার বিষয়ে নিয়মিত সচেতনতামূলক বার্তা পাঠানো হয়।
গুরুত্বপূর্ণ কথা: এই কেস স্টাডিগুলো বাস্তব অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে তৈরি। তবে গেমিংয়ে জয়-পরাজয় দুটোই আছে। Citynow সবসময় পরামর্শ দেয় — নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে খেলুন, বিনোদনকে বিনোদন হিসেবেই দেখুন এবং দায়িত্বশীলভাবে অংশগ্রহণ করুন।